বঙ্গবন্ধু টাইমলাইনঃ পর্ব-১

 




ব্যক্তিগত বিবরণঃ

শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ ১৯২০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫) বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

জন্ম: ১৭ মার্চ ১৯২০

জন্ম স্থান: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ মহকুমা, ফরিদপুর জেলা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান টুঙ্গিপাড়া উপজেলা, গোপালগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ)

ডাকনাম: খোকা

মৃত্যু: ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ (৫৫ বছর) ঢাকা, বাংলাদেশ

জাতীয়তা: বাংলাদেশি

রাজনৈতিক দল : বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (১৯৭৫)

অন্যান্য রাজনৈতিক দল: নিখিল ভারত মুসলিম লীগ (১৯৪৯ সালের পূর্বে) আওয়ামী লীগ (১৯৪৯-১৯৭৫)

দাম্পত্য সঙ্গী: বেগম ফজিলাতুন্নেসা

প্রাক্তন ছাত্র:  মওলানা আজাদ কলেজ (১৯৬০), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সন্তান: শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল।

জন্ম ও শিক্ষাঃ
শেখ মুজিবুর রহমান তদানীন্তন ভারতীয় উপমহাদেশের বঙ্গ প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত
ফরিদপুর জেলার গােপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শেখ লুৎফুর রহমান গােপালগঞ্জ দায়রা আদালতের সেরেস্তাদার (যিনি আদালতের হিসাব সংরক্ষণ করেন) ছিলেন এবং মা'র নাম
সায়েরা খাতুন। চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে তিনি ছিলেন তৃতীয় সন্তান। তার বড় বােন ফাতেমা বেগম, মেজ বােন আছিয়া বেগম, সেজ বােন আমেনা বেগম ও ছােট বােন খােদেজা বেগম; তার ছােট ভাইয়ের নাম শেখ আবু নাসের। ১৯২৭ সালে শেখ মুজিব গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশােনা শুরু করেন যখন তার বয়স সাত বছর। নয় বছর বয়সে তথা ১৯২৯ সালে। গােপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। বাবার বদলির কারণে ১৯৩১ সালে তিনি মাদারীপুর ইসলামিয়া বিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখানেই ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত
পড়াশােনা করেন। ১৯৩৭ সালে গােপালগঞ্জ মিশন স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৩৪ থেকে চার বছর তিনি বিদ্যালয়ের পাঠ চালিয়ে যেতে পারেন নি। কারণ তার চোখে জটিল রােগের কারণে সার্জারি করাতে হয়েছিল এবং এ থেকে সম্পূর্ণ সেরে উঠতে বেশ সময় লেগেছিল। ১৯৪২ সালে গােপালগঞ্জ মিশন হাই স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন।

সমরেখায় বঙ্গবন্ধুঃ

❑ ১৯২০
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। জমি ও নৌকাবহরের সূত্রে মোগল ও নবাবী আমলে শেখ পরিবার সম্পদশালী ছিল। পরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে কোম্পানি আমলে মধ্যবিত্ত পেশাজীবীর জীবন যাপন করে। বঙ্গবন্ধুর বাবা শেখ লুৎফর রহমান দায়রা আদালতের সেরেস্তাদারের চাকরি করতেন। তাঁর মা সায়েরা খাতুন।

❑১৯২৭

সাত বছর বয়সে শেখ মুজিবুর রহমান গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে তাঁর স্কুল জীবন আরম্ভ করেন।

❑১৯২৯

তাকে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

❑১৯৩০

শেখ মুজিবুর রহমান তার চাচাতো বোন বেগম ফজিলাতুন্নেসার (রেনু) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

❑১৯৩৪

১৪ বছর বয়সে ৭ম শ্রেণিতে পড়ার সময় বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হলে তার হার্ট দুর্বল হয়ে পড়ে তখন তিনি কলকাতায় চিকিৎসা নিতে যান। প্রায় দু'বছর চিকিৎসাধীন ছিলেন।

❑১৯৩৬

মাদারীপুর হাইস্কুলে আবার সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। কিন্তু চোখে গ্লুকুমা গুরুতর হলে কলকাতায় গিয়ে দু'চোখের অপারেশন করাতে হয়। তারপর থেকেই চশমা ব্যবহার করেন। চিকিৎসার শেষে মাদারীপুর ফিরে এসে ইংরেজ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদান করেন।

❑১৯৩৭

গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে ভর্তি হন। শেখ লুৎফর রহমান গোপালগঞ্জ শহরে বাড়ি করেন। হামিদ মাস্টারের সঙ্গে মুসলিম সেবা সমিতি গঠন করে 'মুসলিম সেবা সমিতি'র সম্পাদক নিযুক্ত হন। এ সংগঠনের মধ্য দিয়ে মুষ্টিচাল সংগ্রহ  করে দরিদ্র মুসলিম ছাত্রদের বই ও পরীক্ষার ফিসের খরচ দিতেন।

❑১৯৩৮

তিনি তখন গোপালগঞ্জ মিশন হাই স্কুলের ছাত্র। একবার অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গোপালগঞ্জে আসেন। স্কুলের ছাদ থেকে পানি পড়া এবং ছাত্রাবাসের সমস্যা তাদের নিকটে তুলে ধরে কিশোর শেখ মুজিবুর রহমান সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। শেরে বাংলা ও সোহরাওয়ার্দীর সংবর্ধনা উপলক্ষে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর দায়িত্ব পান। এ নিয়ে স্থানীয় কংগ্রেসীদের সঙ্গে বিরোধ। গোপালগঞ্জে হিন্দু মহাসভার সভাপতি এক মুসলিম ছাত্রকে আটকে রাখলে মুজিব দলবল নিয়ে তাকে মুক্ত করেন। এ ঘটনার জের ধরে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মুজিবের জীবনের প্রথম সাতদিনের হাজতবাস।

❑১৯৩১

গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলের ছাত্র অবস্থায় মুজিবের রাজনৈতিক জীবনের কার্যকর সূচনা হয়েছিল। কলকাতায় সোহরাওয়ার্দী ও ছাত্রনেতা আবদুল ওয়াসেকের সঙ্গে দেখা করে গোপালগঞ্জে ফিরে মুসলিম ছাত্রলীগ গঠন। মুজিব তার সম্পাদক। তিনি মুসলিম লীগ ডিফেন্স কমিটির সম্পাদক হন।

❑ ১৯৪০

গোপালগঞ্জ মিশন হাই স্কুলের ছাত্র থাকাকালে তিনি নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। এ সময়ে তিনি এক বছরের জন্য নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। গোপালগঞ্জ মহকুমা মুসলিম লীগের ডিফেন্স কমিটির সেক্রেটারি নির্বাচিত হন ও ফরিদপুর ছাত্রলীগের সম্মেলনে কবি কাজী নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, ইব্রাহিম খাঁ প্রমুখকে আমন্ত্রণ করেন। ১৪৪ ধারা সত্ত্বেও হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে সফল সম্মেলন সম্পন্ন করেন।

❑১৯৪২

কলকাতায় ছাত্রনেতা আবদুল ওয়াসেক প্রমুখের নেতৃত্বে হলওয়েল মনুমেন্ট অপসারণের আন্দোলনে অংশগ্রহণ। গোপালগঞ্জ মিশন হাই স্কুল থেকে প্রবেশিক পাশ করার পর কলকাতা যান এবং কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে (মওলানা আবুল কালাম আজাদ কলেজ) আর্টস অনুষদে ইন্টারমিডিয়েট ছাত্র হিসেবে ভর্তি হন। শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতায় বেকার হোস্টেলে থাকাকালীন মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন এবং মুসলিম লীগের প্রগতিশীল অংশের নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সংস্পর্শে আসেন। পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমায় অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সম্মেলনে ফরিদপুর থেকে বিরাট কর্মীবাহিনী নিয়ে যোগদান করেন। বেগম ফজিলাতুন্নেসার সঙ্গে বিবাহিত জীবনের শুরু। যদিও তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রি হয় আগেই।

❑১৯৪৩

আবুল হাশিম বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সম্পাদক হলে তাঁর নেতৃত্বে সোহরাওয়ার্দী-র অনুসারিদের মুসলিম লীগকে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রয়াস ৷ নাজিমুদ্দীন অনুসারিদের বিপরীতে মুজিব লীগের কাউন্সিলর হন। পঞ্চাশের মন্বন্তরের সময় সোহরাওয়ার্দী বঙ্গীয় সরকারের সিভিল সাপ্লাই দপ্তরের মন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস, ফরোয়ার্ড ব্লক ও কম্যুনিস্ট পার্টির কর্মীদের সঙ্গে মুসলিম লীগের যুবকর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধ কমিটি গঠন হয়। দুর্ভিক্ষপীড়িতদের সাহায্যার্থে লঙ্গরখানা পরিচালনায় মুজিবুর রহমানের অগ্রণী ভূমিকা পালন । বাংলার বিভিন্ন মহকুমায় রিলিফ পাঠাতে সার্বক্ষণিক কাজ করা হয়। কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগ দেন এবং সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রাদেশিক মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ। অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ সম্মেলন উপলক্ষে দিল্লি গমন এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ। তখন দিল্লির লালকেল্লা, দেওয়ানি আম, দেওয়ানি খাস, কুতুব মিনার, নিজামুদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ পরিদর্শন করেন । দিল্লীতে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ সম্মেলনে ডেলিগেট হিসেবে যোগদান।

❑১৯৪৪

গোপালগঞ্জে মুসলিম লীগের সম্মেলনে মুসলিম লীগের নেতৃবৃন্দ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশিম, তমিজউদ্দিন খান, খাজা শাহাবুদ্দিন প্রমুখের আগমন। গোপালগঞ্জের স্থানীয় মুসলিম লীগের নেতৃত্বে গঠিত অভ্যর্থনা কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত। সম্মেলন সাফল্যমণ্ডিত হয়। কলকাতায় ফরিদপুরবাসীর উদ্যোগে গঠিত ‘ফরিদপুর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাসোসিয়েশন’ -এর সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এ বছর কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন।
আবুল হাশিম ও কাজী মোহাম্মদ ইদরিসের সম্পাদনায় ‘মিল্লাত’ পত্রিকার প্রকাশ। সোহরাওয়ার্দীর আনুকূল্যে এ-প্রকাশনায় ছাত্রনেতা মুজিব ব্যবস্থাপনা ও বিপণনে স্বেচ্ছাশ্রম দেন।

❑১৯৪৫

মুসলিম লীগের নির্বাচনী অফিস ও কর্মীশিবির খোলার জন্য কলকাতা ছেড়ে ফরিদপুর চলে এলেন।

❑ ১৯৪৬

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুজিব ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। গোপালগঞ্জ মহকুমা মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন: এ সময়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে মুজিবের দিল্লীর মুসলিম লীগ কনভেনশনে যোগদান। সম্মেলনে আবুল হাশিম অনুসারীদের প্রতিবাদ সত্ত্বেও জিন্নাহ-লিয়াকতের চতুরতায় লাহোর প্রস্তাবের ‘স্টেটস’ শব্দটি পরিবর্তন করে ‘স্টেট'-এ রূপান্তর। ১৬ আগস্টকে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে' ঘোষণা। গাড়িতে মাইক লাগিয়ে কলকাতা শহরে মুজিবের প্রচারণা। ১৬ আগস্ট সকালে ছাত্রনেতা নুরুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে শেখ মুজিবের বিশ্ববিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলন। কলকাতা ১৬ আগস্ট থেকে কলকাতায় ৩ দিনের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। মুজিবের নেতৃত্বে লীগ অফিস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুসলমানদের আশ্রয় কেন্দ্র খোলা। কিছু হিন্দু পরিবারকেও নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠান তিনি। নুরুদ্দিন ও নূরুল হুদাকে নিয়ে ঠেলাগাড়ী ঠেলে নিজেই বিভিন্ন শিবিরে চাল সরবরাহ করেন ও দাঙ্গাপীড়িত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান। পাকিস্তান আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। শরণার্থী ও মোহাজেরদের সাহায্যার্থে প্রাণান্তকর পরিশ্রম; ময়রা ও মাধাইগঞ্জে ক্যাম্প স্থাপন এবং তাদের সুবন্দোবস্তের ব্যবস্থা গ্রহণ জিন্নাহর আহ্বানে দিল্লিতে ৭, ৮, ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ভারতবর্ষের মুসলিম লীগপন্থি কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের কনভেনশনে বাংলাদেশের ছাত্রকর্মী হিসেবে ১০-১৫ জনসহ বঙ্গবন্ধুর যোগদান। এ উপলক্ষে আজমীর শরীফ তাজমহল, আগ্রা দুর্গ, লালকেল্লা, ফতেহপুর সিক্রি, সেকেন্দ্রা পরিভ্রমণ । এর মধ্যে আবার নোয়াখালী, ঢাকা ও বিহারে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। ছাত্রনেতা জহিরুদ্দিন, নুরুদ্দিন ও কয়েকজন ডাক্তার নিয়ে মুজিবের পাটনা গমন। পাটনা থেকে হাজারখানেক শরণার্থী নিয়ে ট্রেনযোগে মুজিবের আসানসোল গমন ও ক্যাম্প স্থাপন। কয়েকটি ক্যাম্পে প্রায় ২৫ হাজার লোকের খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে মাসখানেকের মধ্যে মুজিব অসুস্থ হন।


 পরবর্তী পর্ব পড়ুন 

Post a Comment

0 Comments