আজকের দৈনিক পত্রিকা এবং ঘটা ঘটনাগুলো থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো একসাথে এখানে পাওয়া যাবে।
প্রতিদিন পেতে সাইট-টি ফলো করতে পারেন।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
❑ আজ মহান বিজয় দিবস।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পর বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের অসহায় আত্মসমর্পণ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিলিটারি আত্মসমর্পণ। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানের জেনারেল নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণতা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে শপথ পাঠ করেন । শপথটি নিন্মে দেয়া হলো...
সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা।
আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষের বিজয় দিবসে দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহিদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না-দেশকে ভালোবাসব, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলব।
মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।
❑ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ শিরোনামে ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানের সম্মানীয় অতিথি ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে “মুজিব চিরন্তন” শ্রদ্ধাস্মারক প্রদান করা হয়।আয়োজনের প্রথমদিন ১৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী সবাইকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
❑ প্রশ্ন: ১৬ ডিসেম্বর না ২৬ মার্চ- বাংলাদেশের জন্মদিন কবে?
একটি দেশের শাসনতন্ত্রের মূল ভিত্তি তার সংবিধান।প্রথমত, দেখি আমাদের সংবিধান কি বলছে।
সমবিধানের প্রস্তবনায় বলা হয়েছে –“আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি”।
দ্বিতীয়ত, “প্রোক্লেমেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্সে স্বাধীন বাংলাদেশের শুরু ২৬ মার্চ ১৯৭১ ধরতে বলা হয়েছে। এই ঘোষণায় বলা হয়েছিল- ‘বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা ও সংগঠন করছি এবং এত দ্বারা ইতিপূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণাকে সমর্থন করছি। এই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।”
আমাদের সংবিধান আরও অনেক পরে লেখা হলেও এই প্রোক্লেমেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্সকেই স্বাধীনতার মূল দলিল বলা হয় এবং সেই কারণেই সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের জন্ম ২৬ মার্চ।
এইটা ঠিক যে আমরা চূড়ান্ত বিজয় পেয়েছি ১৬ ডিসেম্বরে কিন্তু তার মানে এই না রাষ্ট্রের উদ্ভবও ১৬ তারিখে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, এম এ হান্নান,শহীদ জিয়া এই তিনজনের ঘোষণার পরবর্তীতে ১০ এপ্রিল,১৯৭১ তারিখে মুজিবনগর সরকারে আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলদেশকে যদি ১৬ ডিসেম্বর থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র বিবেচনা করলে অনেকগুলো সমস্যার উদ্ভব হবে। মুজিবনগর সরকার তাহলে অবৈধ হয়ে যাবে কারণ রাষ্ট্র না থাকলে সরকারের অস্তিত্ব থাকে কি? তাজউদ্দীন ও দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী থাকেন না তাহলে আর। বাতিল হয়ে যাবে মুজিবনগর সরকারের সমস্ত অর্ডিন্যান্স, চুক্তি, বাহিনী।১৬ ডিসেম্বরকে স্বাধীন রাষ্ট্র বিবেচনা না করার আর একটি কারন ভুটান এবং ভারতে বাংলাদেশকে ১৬ ডিসেম্বরের আগেই স্বীকৃতি দিয়েছে।
এরপর নিশ্চয়ই আর সন্দেহের অবকাশ থাকে না যে, ১৬ ডিসেম্বর না, ২৬ মার্চই বাংলাদেশের জন্মদিন।অর্থাৎ নির্দ্ধিধায় বলতে পারি বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ২৬ মার্চে এবং জন্মদিন ধরা হবে ২৬ মার্চকেই।
❑
❑
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
❑ কানাডার সাস্কাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটিতে (জিআইএফএস) ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ স্থাপন।
❑
❑
❑
❑
❑
ক্রীড়া ও সাহিত্য
❑ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ 'আমার কিছু কথা' -এর লেখক: শেখ মুজিবুর রহমান
বিগত প্রতিদিনের সাম্প্রতিক তথ্য
0 Comments